আজাদীর পক্ষে লরবো আরাফাত সামি এক হাদি শহীদ হয়েছে লাখো হাদির হলো জন্ম, রাজপথে জীবন দিয়ে আজাদীর পক্ষে লরবো। লাখো হাদি এক হয়ে গর্জে মোরা উঠবো, হত্যাচারী শাসকের
তোমাকে বলিনি কখনো জনিক দেবনাথ তুমি আসলে কী— ভিড়ের মধ্যে হঠাৎ থেমে যাওয়া একটা নিঃশ্বাসের মতো তুমি। তোমার হাসিতে বড় কোনো জাদু নেই, তবু মনটা থেমে যায়, যেন ক্লান্ত
শান্তি চাই কামরুল হাসান কানন এই পৃথিবীতে আমরা শান্তি চাই চাই স্বাধীনভাবে বাঁচতে চাই অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সমস্ত যন্ত্রণা ক্লান্তি মুছে শান্তির পথ দেখতে চাই শান্তির স্বপ্নে
টান পড়া ভাব্না কাব্যশ্রী মো. নজরুল ইসলাম শুভ বুদ্ধির চিন্তা ভাব্ না টান পড়েছে আজি, শূন্য ভাঁড়ায় কেমন করে রঙিন সাজে সাজি। সুস্থ ধারার জ্ঞানী, গুণীর কদর যাচ্ছে
শ্রাবণ থেকে প্রেম অভিস্রাবণ রাওনাফ মুহাম্মদ শ্রাবণ ঝরেছিল নরম হৃৎপিণ্ডে— মেঘলা আকাশ বিজলির আঘাতে; ছেড়ে গেছে পৃথিবীর প্রেম-রমণী, নদী—আর দুঃখ দিও না, অভিমানী। চিরকালই ছিল ভালোবাসার সাধ; অঘ্রায়ণের
লেখকঃ শাহরিয়া সায়হাম শিক্ষার্থী, গনিত বিভাগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা: কলেজ জীবনের প্রথম দিনটা ছিল আমার জন্য অত্যন্ত স্মরণীয়। সেদিন আমাদের নবীন বরণ অনুষ্ঠান হচ্ছিল। বিজ্ঞান বিভাগের ক্লাসে
হাদির চেতনা সাকিব মুহাম্মদ কান্না কেন দোয়া করো, আমায় রেখে দেশ গড়ো। আবেগ নয় ঐক্য গড়ো, বিপ্লবী হয়ে বিদ্রোহ করো। ভেবনা আর আমায় নিয়ে, ঘুমিয়ে গেলাম চির তরে।
বৈরাগী প্রেম প্রীতম ভট্টাচার্য ভোরের শীতে তোমাকে জড়াবো বলে, বৈরাগ্য নিয়েছিলাম উষ্ণতার কাছ থেকে। ভোর আসে, নিয়ম করে শীতও আসে, কিন্তু তুমি কখনো পথ ভুলেও এলে না। ঘরটাতে ভোরের সূর্য
অব্যক্ত ইচ্ছে ফিরোজ শাহীন আলাল তোমার বুক জুড়ে একগুচ্ছ কবিতার পঙ্ক্তি লিখতে চেয়েছিলাম অথচ—সেখানে শ্বাপদ আর—নেড়ি কুত্তা চাটছে তাইতো কবিতার পঙ্ক্তি লেখা হলো না আমার! তোমার বুক জুড়ে একগুচ্ছ
অভাগা আমি রকিবুল ইসলাম মাঝে মাঝে নিজেকে অসহায় মনে হয় বড্ড বেশি। অসহায় করে দেয় তারা,যে বা যারা আপনার অতি! গড়ে আপন মনে স্বীয় ভূমে আপনার বসতি। মোর বক্ষ