বিদায় হে প্ৰিয় দেশোনেতরি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, আপনাকে বিনয়ের সাথে শ্রদ্ধা জানাই, ভালো থাকবেন আপনি ওই পরোপারে । আপনার মৃত্যুতে আজ লাখো কোটি মানুষের চোখে জল, বাংলার
বেগম খালেদা জিয়া, তুমি ছিলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মাঠে খোলা আকাশে এক ধ্রুবতারা। নীল আকাশে নক্ষত্রের মতো তোমার উজ্জ্বল আলোক শিখায় পথ খুঁজে পেত দিক হারা জাতি। বেগম খালেদা জিয়া, তুমি
রামিম এবার পঞ্চম শ্রেণীতে উঠেছে। সে সকাল দশটায় স্কুলে যায়। তার পড়াশোনায় তেমন মনোযোগ নেই। সে শুধু সারাদিন ঘুরাঘুরি করে আর সাইকেল চালায়। সে সারাদিন টিভি দেখে। পড়াশোনা করেই না।
সাবিত রিজওয়ান বাংলাদেশের রাজনীতিতে দল ও আদর্শের বিচ্ছেদ নতুন নয়। এই বাস্তবতা বোঝার জন্য প্রথমেই ফিরে যেতে হয় মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর প্রসঙ্গে। আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি
একটি পরিবারের চালিকাশক্তি যদি হয় পিতা, তবে সেই শক্তির সুযোগ্য উত্তরাধিকারী এবং ভবিষ্যতের ধারক হলো জ্যেষ্ঠ সন্তান বা বড় ছেলে। বাংলায় একটি কথা প্রচলিত আছে, “বড় ছেলে হলো পরিবারের খুঁটি।”
হ্যাপি নিউ ইয়ার এম, আলমগীর হোসেন অতীতটাকে মনে রেখে হ্যাপি নিউ ইয়ার, জীবন দিতে হয় না যেন নতুন করে আর। রক্তে কেনা মুক্ত স্বাধীন নতুন দেশ আমার, না চাহিতে
অমর হাদি বিলকিস নাহার মিতু হাদি তুমি মরণিতো বেঁচে আছ গর্বে, হায়েনারা ভেবেছিলো তুমি নাকি মরবে। হাদি তোমার বজ্র কন্ঠ রুখে দিলো যারা, খোদার কাছে বেইমানেরা পাবেনাতো ছাড়া।
সাবিত রিজওয়ান নামে এখন সাহিত্যচর্চা করলেও তার প্রকৃত নাম মোঃ রেজন মিয়া। আমি জানতাম না তার জন্মস্থান গাইবান্ধা। যখন সে বেগম রোকেয়া মেমোরিয়াল বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করত, ওই বিদ্যালয়েই আমি যখন
বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনীতি এখন এক বিচিত্র সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। এক সময় এ দেশের রাজনীতি ছিল সরাসরি সংঘাত ও মাঠের লড়াইয়ের ‘অ্যানালগ’ ঘরানার, কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় সেই ব্যাকরণ আমূল বদলে গেছে।
নতুন বছর মোঃ ওসমান গণি বছর শেষে হচ্ছে আবার নতুন বছর শুরু, নতুন বছরের আগমনে মন’টা উড়ু উড়ু। নতুন বছরের মতো সবার আসুক সুন্দর দিন, পুরানো স্মৃতি ভুলে