বিজয়ের হাসি, আমার বাবা —- মাসুদ রানা ১৯৭১ সাল—বাংলার ইতিহাসে এক অমর, অবিস্মরণীয়, রক্তস্নাত কিন্তু গৌরবময় বছর। বছরের শেষ মাস ডিসেম্বর এলেই আমার মনে পড়ে বাবার মুখ, তাঁর যুদ্ধশ্রান্ত
সেদিন আমি এসেছিলাম,এনসিপির এই অফিসে চারিদিকে দেখে শুনে , ফেলেছি ভালোবেসে।। হাজার হাজার তরুণ দেখে লাগল কি যে ভালো তাদের ধারায় ফুটবে এবার বাংলাদেশের আলো নতুন করে জাগবে আশা,
ভুতুড়েগল্প: হাফেস পুকুর জেড এইচ ফাহাদ ১. আজ হাসান তাদের নানার বাড়ী যায়। তাদের নানার বাড়ী ফেনী জেলার ফুলকাজী উপজেলার মধ্যে অবস্থিত। হাসানপর নানাদের গ্রামের নাম কুতুবপুর। তাদের
একদা শেখ সাদী রাস্তা দিয়া হাটিয়া যাচ্ছিলেন।পথিমধ্যেই এক বাড়িতে বড় করিয়া ভোজের আয়োজন করা হইয়াছিল।শেখ সাদী তখন ক্ষুধার্ত ছিলেন।তাহার পরনে ছিলো ধুলায় মোড়ানো একটা জুব্বা আর ছিরা-ফাটা একজোড়া জুতা।এমতাবস্থায় তিনি
মানুষের জীবনে গুনাহ দিকে প্রবেশ করার জন্য মূল্য ভূমিকা পালন করে( “নফ্স”)। এই নফ্স’কে দমিয়ে রাখা মুটেও সহজ কাজ নয়। মহান রাব্বুল আলামিন যখন নফ্স কে সৃষ্টি করেছেন তখন তাকে
পথশিশু মাহমুদ হাফিজ আলগোছে বেয়ে পড়ছে শাফিনের মুখ থেতলে যাওয়ার রুক্ত। পরনের ছেঁড়াফাঁড়া শার্টের পেছনের অংশে রক্ত জমে গেছে।যে-কেউ শাফিনের লাশটা দেখে বলতে পারবে, মরদেহটা দুই-আড়াইঘন্টা আগের। এতো সময় হয়ে
মোঃ আব্দুর রাজ্জাক রঞ্জু শিউলি ছোঁয়া শেষ শরতের নরম রোদ গায়ে মেখে অরণ্য হাঁটছিল, গ্রামের সেই চেনা কাঁচা রাস্তা ধরে। রাতের শিশির তখনও পুরোপুরি শুকায়নি। দূর্বা ঘাসে পা ফেলতেই
আল-মামুন রেজা শীত এলেই ফাহিমের মনে ভেসে ওঠে তার শৈশবের সেই গ্রাম—যেখানে প্রতিটি ভোর যেন নতুন গল্প নিয়ে শুরু হতো। এখন শহরের উঁচু দালান আর ধোঁয়ার ভিড়ে থাকলেও শীতের
গোলাম সরোয়ার লেখালেখি একটি দক্ষতা। এই সৃজনশীল কাজটি সবার মাঝে নেই। লেখালেখিতে দক্ষতা অর্জন করতে চাইলে মনোযোগের স্তর এবং লেখার শৈলী উন্নত করতে হবে। নিজের মাঝে কিছু অভ্যাস গড়ে
প্রত্যাবর্তন মানেই কি শুধু ফিরে আসা? প্রত্যাবর্তন মানে হল ফিরে পাওয়া, ভুল সংশোধন করে নেওয়া কিংবা আত্মসমর্পণ করা। আমাদের প্রত্যেকটা কাজ, প্রত্যেকটা পরিকল্পনা কিংবা প্রত্যেকটা পদক্ষেপ আমাদের জানিয়ে দেয় হয়তো