হৃদয় মঞ্জিলে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে মোঃ দেলোয়ার হোসেন সিদ্দিকী আমার খুবই অপরাধ ছিলো আমি তোমাকে ভালোবাসি এতো টুকু রেখো জানি এটা মৃত্যুর মতোই সত্য। যেমন মৃত্যু এড়িয়ে যাওয়া
বৃদ্ধ কবি মো. সুমন মিয়া সময় এক বৃদ্ধ কবি ধূসর তার কলম, নীরবে সে লেখে দিন আমার অস্তিত্ব-ক্রম। তার খাতায় আমি শুধু একটি ক্ষুদ্র স্বর, মুছলে বাক্য থাকে
বাবা সাবিত রিজওয়ান বাবা তুমি বটের ছায়া, রোদে-পুড়ে বাঁচাই মাথা। আমার পথে কাঁটা এলে, নিজে নাও সব ব্যথা-ব্যাথা। স্বপ্নগুলো গাঁথো তুমি, আমার ঘুমের ভেতর ভরে, আমি হাঁটি ভুলের
বাবা আরাফাত সামি যেই মানুষটা দিতো আমায় সর্ব সুখের ছায়া, সেই মানুষটা হারিয়ে গেলো রেখে গেলো মায়া। বটগাছের মতো ছায়া হয়ে থাকতো আমার পাসে, দুংখের সময় হাত বাড়িয়ে
প্রেমের অনটনে রকিবুল ইসলাম সারাদিন শুধু তোমায় ভেবে, বেলা যায় মোর কেঁটে। যদিও তুমি হেয়ালি হয়ে, কর তব হেলা মোরে। সারাদিন শুধু তোমায় ভেবে, আঁকি তব মম মানসপটে।
হাদির বিচার হয়নি বিলকিস নাহার মিতু রাষ্ট্র তোমার বিচার দিতে পারেনিতো মোটে, জাস্টিস হাদি একটাই স্লোগান বাজছে সবার ঠোঁটে। রাজপথে সব যুবকেরা হাদির বিচার চাই, প্রশাসনও হাত গুটিয়ে
হারামজাদা বি এম মিজানুর রহমান ক্যামন করে করলি এমন ওরে হারামজাদা? লাগলো কেন নিরীহের আজ এমন করে কাঁদা? বাঁধা কেন দিলো না রে হারামির পুত্ আজি? তবে কি
অপেক্ষার প্রহর ফিরোজ শাহীন আলাল সেই তো চলেই গেলে এঁকে দিয়ে সীমানা প্রাচীর— নতুবা কাঁটা তারের বেড়া আমি এখনও অপেক্ষায় অধীর শুধু তোমার বিরহে হয়েছি বধীর—! পথপানে চেয়ে
ইতিহাসের পাতায় এমন কিছু মুহূর্ত থাকে যা কোনো নির্দিষ্ট জাতির সীমানা ছাড়িয়ে সমগ্র মানবজাতির বিবেককে নাড়া দিয়ে যায়। ১৯৪৫ সালের যুদ্ধবিধ্বস্ত জাপানের সেই কিশোর এবং তার মৃত ছোট ভাইয়ের গল্পটি
চেনা মানুষের অচিন রূপ আব্দুল কাদের চেনা দুই চোখ আজ মানে না কোনো ভাষা স্মৃতির আয়নায় ধুলো জমে ভাঙছে কত আশা। অটল বিশ্বাসে যাদের মিছিলে হয়েছি একাকার অচিন পাখি