বর্তমান বিশ্বে নেতৃত্বের ধারণা অনেক পরিবর্তিত হয়েছে। নেতা হওয়ার আকাঙ্ক্ষা অনেকের মধ্যেই আছে, কিন্তু প্রকৃত নেতা হতে হলে শুধুমাত্র পদ বা ক্ষমতা অর্জনই যথেষ্ট নয়। নেতৃত্বের আসল শক্তি হলো নীতি
রাজধানীসহ দেশব্যাপী নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখী দামে অতিষ্ঠ জনজীবন। নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের দাম যেন পাগলা ঘোড়া। লাগামহীন ভাবে বেড়েই চলেছে। সীমিত আয়ের সাধারণ মানুষের কাছে এখন সবচেয়ে বড় আতঙ্কের নাম নিত্যভোগ্যপণ্যের বাজার।
জীবনে যেকোন শখ বা আহ্লাদ পূরণের সুনির্দিষ্ট একটা সময় আছে। সঠিক সময়টা একবার পেরিয়ে গেলে শখ হয়তো পূরণ হয় ঠিকই, তবে তৃপ্তিটা ঠিক পাওয়া যায় না। ১৭ বছর বয়সে যেই
কথিত আছে সময় ও শ্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না। মানব জীবনে সময়ের গুরুত্ব অপরিসীম। সময়ের প্রতিটি মহূর্তেকে যথাযথ কাজে লাগাতে না পারলে ব্যক্তিজীবন, সমাজ জীবন এমনকি রাস্ট্রীয় জীবন
একটা মোমবাতি যেমন নিজের অস্তিত্বকে পুড়িয়ে আলো বিতরণ করে যায় তেমনি একজন প্রকৃত শিক্ষক সারা জীবন তার শ্রম মেধা মনন দিয়ে শিক্ষার্থীদের জীবনে শিক্ষার আলোকবর্তিকা জ্বালিয়ে যান নিঃস্বার্থভাবে। শিক্ষকদের এই অসামান্য অবদানকে শ্রদ্ধা
আজকে এই শিক্ষক দিবসে শ্রদ্ধীয় শিক্ষকদেরকে নিয়ে মনের কিছু অব্যক্ত কথা ব্যক্ত করছি, শিক্ষক শব্দটি তিন অক্ষরের ছোট একটি শব্দ হলেও এর ভিতরে লুকায়িত আছে অনেক রহস্য। শিক্ষক কখনো কোমল,
আজ ৫ই অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস। জীবনে চলে যায় কত দিবস, হারিয়ে যায় কত বাসর। কেবা রাখে তাহার খোঁজ… আমার জীবনে অনেক শিক্ষক দিবস পেরিয়ে গেছে কিন্তু কখনো শিক্ষকদের
শিক্ষা হলো জাতির মেরুদন্ড, আর সেই মেরুদন্ড পরিপক্ব করার কারিগর হচ্ছেন শিক্ষক। একজন শিক্ষার্থী প্রকৃত মানুষ রূপে গড়ে ওঠার পেছনে বাবা-মা’র যেমন অবদান থাকে, তেমন শিক্ষকেরও থাকে বৃহৎ ভূমিকা। শিক্ষকদের
প্রিয় শিক্ষক, আমার প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং সকল প্রাইভেট শিক্ষকের প্রতি আসসালামু আলাইকুম। আপনাদের প্রতি শিক্ষক দিবসের অবিরাম ভালোবাসা এবং বিনম্র শ্রদ্ধা। আজ ছোট থেকে
শিক্ষকরা হচ্ছে জাতি গড়ার কারিগর। শিক্ষকরা আমাদের জ্ঞানার্জন এবং শিক্ষার পথে প্রথম ও প্রধান পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করেন। তাদের মাধ্যমেই আমরা বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে শিখতে শুরু করি এবং ভবিষ্যতের জন্য