গ্রামের এক যুবক ছিলো নাম শাহরিয়ার সোহান। ছোটবেলা থেকেই তার মন ছিলো দুষ্টুমি আর খেলাধুলায় ভরা। নামাজ-রোজা, কুরআন—এসব তার কাছে ছিলো দূরের ব্যাপার। বন্ধুবান্ধবদের সাথে আড্ডা, গান-বাজনা, মোবাইল—এসবেই সে বেশি
একদা ছিল এক মহিলা। তার ছিল আটটি সন্তান। পাঁচটি ছেলে ও তিনটি মেয়ে। মহিলাটি একসময় অনেক কষ্ট করে ছেলেমেয়েদেরকে মানুষ করেছে। মেয়েগুলা কে বিয়ে দিয়েছে। ছেলেগুলো এখন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু
গ্রামের বিলের ধারে যখন শরৎ আসে, তখন চারিদিকে এক অদ্ভুত সৌন্দর্যের জন্ম হয়। ভরা বর্ষার পানিতে মাঠ-ঘাট ভেসে থাকে, নদীর বুক ফেঁড়ে স্রোত বইতে থাকে। কিন্তু বর্ষার রুদ্রমূর্তি শেষে যখন
—আবির মাহফুজ ২০২৪ সালের জুলাই মাস। মেঘলা আকাশের নিচে ঝাঁঝালো একটা বাতাস তখন বাংলাদেশের বাতাসে ঘুরপাক খাচ্ছে। কিছু একটা ঘটবে, ঠিক যেন ঘূর্ণিঝড়ের আগমুহূর্তের নিস্তব্ধতা। অবশেষে ঘটেও গেল–যা ইতিহাসে
ইসরাত জাহান ইসা বয়স বাড়ার সাথে সাথে বন্ধুর খোঁজ পাওয়া যায় যখন একদম ছোট বন্ধু কি,, ভালোবাসা কি জিনিস,, কেন ভালোবাসতে হয়, বন্ধু বানাতে হয় কিছুই জানতাম
জাকির আলম একজীবনে মারিয়ার সাথে হাজার বছর কাটালেও মনের মধ্যে কখনো ক্লান্তি আসবে না। সম্মুখ থেকে সম্মুখে তার হাত ধরে নিরুদ্দেশ কোনো ভুবনে হারিয়ে যাওয়া যায় অবলীলায়। প্রিয় কবিতার
জাকির আলম বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে গড়ে ওঠা একরাশ স্নিগ্ধ কোমল অনুভূতির নাম মারিয়া আফরিন। যার হাত ধরে অনাগত জীবনে হেঁটে চলার প্রবল ইচ্ছে থেকে ভালোবেসে যাই সঙ্গোপনে। পাশাপাশি বসে গল্প-কথার
গোলাম সরোয়ার আমার প্রার্থনা ডিঙিয়ে তোমারে যে পাইলো— সে যেনো তোমারে অমন আগলাইয়া রাখে, তুমুল বৃষ্টিতে চেইনস্মোকার যেমন আগলাইয়া বুক পকেটের অন্তিম সিগারেট। আমার চোখের জলরে হারাইয়া যে
মোঃ নূরনবী ইসলাম সুমন বাংলাদেশের সাংবাদিকতা আবারও রক্তে ভেসে গেল। দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা দুইজন সৎ, নির্ভীক সাংবাদিককে প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়েছে। তারা স্থানীয় এক প্রভাবশালী চক্রের
গোলাম সরোয়ার আমাদের অনেকেরই খুব ইচ্ছা কবিতা-ছড়া লিখব। ছন্দ আর মিল দিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করব। কবিতা-ছড়া লিখে শামসুর রাহমান, সুকুমার বড়ুয়ার মতো খ্যাতিমান হব। কবি-ছড়াকার হিসেবে দেশজোড়া পরিচিতি