কথপোকথন ১ প্রীতম ভট্টাচার্য অ্যাই এতো রাতে কি করো ঘুমও নি এখনো? — ঘুম তো নিত্যদিনই অন্বেষণ করছে। মাঝ রাতে কি করছো তুমি? — জানালায় দাঁড়িয়ে আছি। শীতের রাতে জানালায়
পড়ালেখা জেড এইচ ফাহাদ পড়ালেখা করে হবো জ্ঞানী, ছড়াবো সাম্যের বাণী। পড়ালেখা করা ভালো, ছড়াবো জ্ঞানের আলো। বেশি বেশি পড়বো, নিজেকে গড়বো। পড়ালেখা করলে পাব সম্মান, দেশের জন্য দিতে
কৃষকের কবিতা রোমান মিয়া তুমি পারলে আমায় দুঃখ দাও, কখনো দুঃখ পাই তুমি কাঁদাও, কষ্ট পেয়ে পদ্য লিখতে পারি, আমি বহু যুগ অপেক্ষা করি; একটি কালজয়ী কবিতার জন্য, তাই
বিকালের সময় মাঠটি শান্ত ও নীরব। নেই কোন হাঁক ডাক। আজ থেকে কয়েক বছর আগে যে মাঠে বিকাল হলেও বিভিন্ন বয়সী শিশুদের সমাগম হত, আজ সে মাঠে নীরবতা বিরাজ করছে।
হৃদয় মঞ্জিলে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে মোঃ দেলোয়ার হোসেন সিদ্দিকী আমার খুবই অপরাধ ছিলো আমি তোমাকে ভালোবাসি এতো টুকু রেখো জানি এটা মৃত্যুর মতোই সত্য। যেমন মৃত্যু এড়িয়ে যাওয়া
বৃদ্ধ কবি মো. সুমন মিয়া সময় এক বৃদ্ধ কবি ধূসর তার কলম, নীরবে সে লেখে দিন আমার অস্তিত্ব-ক্রম। তার খাতায় আমি শুধু একটি ক্ষুদ্র স্বর, মুছলে বাক্য থাকে
বাবা সাবিত রিজওয়ান বাবা তুমি বটের ছায়া, রোদে-পুড়ে বাঁচাই মাথা। আমার পথে কাঁটা এলে, নিজে নাও সব ব্যথা-ব্যাথা। স্বপ্নগুলো গাঁথো তুমি, আমার ঘুমের ভেতর ভরে, আমি হাঁটি ভুলের
বাবা আরাফাত সামি যেই মানুষটা দিতো আমায় সর্ব সুখের ছায়া, সেই মানুষটা হারিয়ে গেলো রেখে গেলো মায়া। বটগাছের মতো ছায়া হয়ে থাকতো আমার পাসে, দুংখের সময় হাত বাড়িয়ে
মো: ফাত্তাহান আলী বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর। তিস্তা নদীকেন্দ্রিক মানুষের জীবনসংগ্রাম, নদীভাঙনের বাস্তবতা এবং উত্তরাঞ্চলের সাহিত্যচর্চাকে সামনে রেখে ভিন্নধর্মী সাহিত্য আয়োজন করেছে ফিরেদেখা সাহিত্য সংগঠন। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায়
প্রেমের অনটনে রকিবুল ইসলাম সারাদিন শুধু তোমায় ভেবে, বেলা যায় মোর কেঁটে। যদিও তুমি হেয়ালি হয়ে, কর তব হেলা মোরে। সারাদিন শুধু তোমায় ভেবে, আঁকি তব মম মানসপটে।