
মানুষের জীবনে গুনাহ দিকে প্রবেশ করার জন্য মূল্য ভূমিকা পালন করে( “নফ্স”)। এই নফ্স’কে দমিয়ে রাখা মুটেও সহজ কাজ নয়। মহান রাব্বুল আলামিন যখন নফ্স কে সৃষ্টি করেছেন তখন তাকে একটি প্রশ্ন করলেন বলো তোমার প্রভু’কে..!? তখন নফ্স প্রতি উওর দিলো (আমিই আমি,) আমিই সব…! তখন মহান রাব্বুল আলামিন বলেন বুঝতে পারছি একটা’কে যেহেতু আমিই সৃষ্টি করছি কিভাবে তাকে আয়াতে আনতে হয় আমার ভালো করে জানা আছে। তখন জিব্রাইল কে হুকুম দিলেন যাও এই নফস’কে একহাজার বছরের জন্য আগুনে নিক্ষিপ্ত করো।তখন এই নফ্স কে ১ হাজার বছরের জন্য আগুনে রাখা হলো। ১ হাজার বছর পর তাকে রাব্বে করীম আবার প্রশ্ন করলেন তোমার রব’কে..!?
তখন নফ্স আবার একি উওর দিলেন (আমিই আমি) আমিই সব..! রাব্বে করীম আবার আদেশ দিলেন জিব্রাইল’কে তাকে ১ হাজার বছরের জন্য বরফে নিক্ষিপ্ত করো। তখন নফ্স’কে ১ হাজার বছরের জন্য বরফে রাখা হলো। ১ হাজার বছর সম্পূর্ণ করার পর তখন নফ্স’কে রাব্বে করীম জিজ্ঞেস করলেন তোমার রবকে..!? তখন তার একি উওর (আমিই আমি) আমিই সব। এবার রাব্বে করীম জিব্রাইল কে আদেশ দিলেন যাও তাকে ১ হাজার বছরের জন্য (খাদ্য আহরণ করা) বন্ধ করে দেও বা খাবার খাওয়া থেকে দূরে রাখো। জিব্রাইল ঠিক সেই কাজটাই করলেন। তার খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিলেন।১ হাজার বছর সম্পূর্ণ করার পর নফ্স তখন দূর্বল হলেন। তখন নফ্স’কে জিজ্ঞেস করা হলো তোমার রব’কে..? নফ্স প্রতি উওর দিলো [আপনি আমার রব আপনি আমার সব]
চিন্তা করে দেখেছেন নফ্স কতটা ভয়ংকর। একি দৃষ্টি গুণ থেকে যখন মানব জাতি কে সৃষ্টি করলেন রুহু জগতে একত্রিত করে রাব্বে করীম জিজ্ঞেস করলেন তোমাদের রব কে..? তখন সবার প্রতি উওর বিনয়ী সাথে ছিল আপনি (আমাদের রব আপনি আমাদের সব)
সেই নফ্স’কে মানব জাতির মধ্যে প্রবেশ করানো হলো। একটা জিনিস ভেবে দেখেন কি যখন রমযান মোবারক আসে তখন মানুষ গুনাহ থেকে বিরত থাকে তার কারণ কি.? তার কারণ একটাই সেটা হচ্ছে তখন নফ্স দূর্বল হয়ে যায় । যার কারণর মানুষ খারাপ চিন্তা বাদ দিয়ে রবের সিজদাহ্ নত থাক।