1. admin@ichchashakti.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন

অভিনব কায়দায় বইয়ের গুণগত মান ও সংরক্ষণে দেশের পাঠাগার উদ্যোক্তাদের মাঝে সাড়া জাগিয়েছে – পাবনা, সাঁথিয়ার সবার জন্য পড়া উন্মুক্ত পাঠাগার।

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৩২৬ বার প্রতিবেদনটি দেখা হয়েছে

 সানজিদা সুলতানা

 

সবার জন্য পড়া উন্মুক্ত পাঠাগার কর্তৃক ১৫ থেকে ১৬ শত বই রোদে দেওয়া হয়। ০৭ নভেম্বর দুপুর ১১ টা নাগাদ বইগুলো রোদে দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয় এবং টানা ৫ ঘণ্টা রোদ্র দেওয়া শেষে বিকাল চারটা নাগাদ বইগুলো গোছানো কার্যক্রম শুরু করেন।

শাহাদাত হোসেন আমাদেরকে বলেন :- মূলত বইয়ের স্যাঁতসেঁতে ভাব দূর করতে এবং ঘুণ, পোকা ধরা বা ছত্রাক হওয়া থেকে রক্ষা করতে। দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ জায়গায় (যেমন কাঁচের আলমারি বা বন্ধ তাকে) রাখলে বইয়ের কাগজ আর্দ্রতা শোষণ করে এবং নষ্ট হয়ে যেতে পারে। রোদ এই আর্দ্রতা দূর করে এবং বইকে সতেজ রাখে, তবে অতিরিক্ত কড়া রোদে বেশিক্ষণ রাখা উচিত নয় কারণ এতে বইয়ের ক্ষতি হতে পারে।

বই রোদে দেওয়ার কারণ
আর্দ্রতা দূর করা স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় বা আর্দ্র স্থানে রাখা বইয়ের কাগজ সহজেই আর্দ্রতা শোষণ করে। রোদ এই আর্দ্রতা শুষে নিয়ে বইকে শুকনো ও ভালো রাখে।

ঘুণ বা ছত্রাক প্রতিরোধ আর্দ্রতা থেকে ঘুণ এবং ছত্রাকের উপদ্রব হতে পারে। রোদ এই সমস্যা প্রতিরোধ করে, ফলে বই দীর্ঘস্থায়ী হয়।

বাতাস চলাচল নিশ্চিত করা দীর্ঘ সময় ধরে তাকের মধ্যে বন্ধ থাকলে বইয়ের তাকের ভেতরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল করে না। বই মাঝে মাঝে বের করে রোদে দিলে বা বাতাসে রাখলে তা থেকে আর্দ্রতা ও ছত্রাকজনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ ইচ্ছাশক্তি
Theme Customized By Shakil IT Park