
সেই দিন—যেদিন নিভেছিল শঙ্খধবল রোদ,
তুমি হয়েছিলে এক হিরণ্ময় বিস্মৃতি;
অথচ নক্ষত্রের নিচে আজও কোনো এক বিপন্ন বিস্ময়
জেগে থাকে—যেখানে ঘাসের ঘ্রাণে মিশে আছে তোমার পুরোনো রীতি।
হয়তো অশ্বত্থের শাখা আজো কাঁপে সেই দূর বিকেলের হাহাকারে,
যেখানে ঝরেছিল কামরাঙার লাল আভা আর আমাদের মৌন আলাপ;
আমি আজো নগ্ন নির্জন হাত নিয়ে দাঁড়াই সেই অন্ধকারে,
যেখানে কুয়াশার মতন জমে আছে তোমার নিভৃত অভিশাপ।
বেবিলনের রাজপথে কিংবা কোনো এক বিদিশার নিশিথে
হয়তো তুমি অন্য কোনো নাবিকের দিশা;
কিন্তু আমার এই নরম পাণ্ডুলিপির পাতায়—
তুমি এক ম্লান জোনাকি, এক অন্তহীন পিপাসা।
পৃথিবীর পথে আজো কত কড়ি ও কোমল সুর বাজে,
উটের গ্রীবার মতো কোনো কোনো নিস্তব্ধতা নেমে আসে পথে;
তুমিও হারিয়ে গেছ সেই ভিড়ে—
যেখানে স্মৃতির শবাধারতুমিও হারিয়ে গেছ সেই ভিড়ে—
যেখানে স্মৃতির শবাধার সাজে,
একাকী ডাহুকী কাঁদে আমার এই বিমর্ষ মনোরথে।