
আমি বলি—সংবিধানের পাতা আজ শকুনের ঠোঁটে, আইনের গলায় ঝুলছে লজ্জার ফাঁস। এই রাষ্ট্র আজ মাতৃহীন—শুধু জানে কেমন করে মায়ের বুক শূন্য করতে হয়, মায়ের সন্তানকে কেড়ে নিতে হয় নিষ্ঠুর বুলেটে!
আর কত বোন হারাবে তার ভাইকে? আর কত পিতা কাঁধে তুলবে নিজের প্রিয়তম সন্তানের লাশ? রাষ্ট্র, তুমি কী অনুভব করতে পারো—পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী বোঝা, পিতার কাঁধে সন্তানের নিথর দেহ!
আমি দেখেছি কীভাবে—ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া এই স্বাধীনতা আজ বন্দি সন্ত্রাসীদের নখরে! বিজয়ের মাসে স্বাধীনতার বুকে গুলি—হাদী পড়ে থাকে রাজপথে, আর রাষ্ট্র থাকে নির্বাক, নির্বোধ, নির্লজ্জ!
শোন, সন্ত্রাস! আমি বাঙালি—আমার শিরায় কাপুরুষতার রক্ত নেই! আমার বুক থেকে যদি আরও রক্ত ঝরে পথে পথে, তবুও থামবে না মিছিল, থামবে না স্লোগান, থামবে না বিদ্রোহ—যতক্ষণ না হাদীর খুনিকে নরকের অগ্নিনদীতে ছুড়ে ফেলা হয়!
ওই যে আদালত—আইনের নামে যারা অন্ধ! তোমাদের চোখ খুলে দাও, ন্যায়ের বজ্র দিয়ে বিচার করো! রায় একটাই—ফাঁসির দড়ি, সেই সব খুনিদের গলায়!
কোনো সংবিধান অথবা কোনো আইন থেকে নয়—মায়ের শূন্য বুকের দুঃখভেজা ক্রন্দন থেকে বোনের চোখের সমুদ্র থেকে পিতার কাঁধের সন্তানের লাশ থেকে — এই জাগ্রত জনতার পক্ষ থেকে আমিই শুনিয়ে দিলাম সেই সব খুনিদের ফাঁসির রায়!