1. admin@ichchashakti.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন

বিনোদনের নেশায় হারানো মানুষ

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৩৯ বার প্রতিবেদনটি দেখা হয়েছে

প্রতিবেদকের নাম: মোঃ সোলায়মান

 

প্রতিটি পেশার মানুষ সারাদিনের বেশিরভাগ সময় বিনোদনের মাঝে ডুবে থাকে! যতই ব্যস্ততা থাকুক রিলস/টিকটক ওপেন করবেই করবে। পেশাজীবি মানুষ যেখানে বিরত থাকতে অক্ষম স্বল্প বিনোদন থেকে সেখানে আমার আপনার মতো শিক্ষার্থীরা কিভাবে বিরত থাকবে? তারা এমনিতেই অবসর সময় বেশি পায়। আর স্মার্টফোনের মূল্য মাত্র একদিন না খেয়ে থাকা।

 

দিন যতই এগোচ্ছে প্রায় সকল মানুষই এগিয়ে যাচ্ছি বিনোদনের জগতে।আর হারিয়ে যাচ্ছে উপদেশ দেওয়ার মানুষগুলো। ছোট বেলায় উপদেশ হিসেবে শুনেছিলাম কিছু মূল্যবান বাক্য। যেমন লেখাপড়া করে মানুষের মতো মানুষ হও একটা চাকরির ব্যবস্থা হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। মাথায় ডুকিয়ে দেয়া হয়েছিলো আগে মানুষ হও। পরে চাকরি খোঁজো। বর্তমানের চিত্রটা উল্টো। আগে টাকা কামাও মানুষ পরে হইয়ো সময় পেলে। টাকাই সব, টাকাই বস, টাকায় দুনিয়া।

 

টাকার নেশাটা ছোট বেলা থেকেই মগজে ভরে দেয়া হয় আশেপাশের পরিবেশ থেকে। ফল স্বরুপ উপদেশ দেয়া, মুটিভেশন দেয়া কিংবা পরামর্শমূলক কথাবলার মানুষ বিলুপ্তির পথে কিংবা থাকলেও যথাযথ মর্যাদা পাচ্ছেনা৷ কারন কেউ আর মানুষ হতে চায়না শুধু টাকারই মালিক হতে চায়। হোক সেটা হারাম টাকা তাতে কি? টাকা তো টাকায়। শুধু কি তাই এই বিলুপ্তি ঠেঁকাতে কারোরই কোনো চেষ্টাও নাই। মানুষ যেন পৃথিবীর দাস হয়ে গেছে। পৃথিবী, রাষ্ট্র, সমাজ, পরিবার কন্ট্রোলের চিন্তাভাবনা কারো মাথাতেই নাই।

 

পৃথিবী যে দিকে যাচ্ছে মানুষও সেদিকেই ছুটছে। কিন্তু কেন? এর উত্তর কারোরই জানা নাই৷ জানার চেষ্টাও কারো মাঝে নাই৷ মানুষ শুধু ডুবে আছে স্বল্প বিনোদনে।

 

এই অধঃপতনের যুগে, এই বিনোদনের যুগে আমাদের দেশের স্কুল কলেজ গুলো শিক্ষার্থীদের জন্য সারাদিন ব্যাপী বিনোদনের আয়োজন করে। একসময় গান বাজনা বিনোদন হাতের মুঠোয় ছিলোনা তখন স্কুল কলেজে বছরে ২/১ বার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের নামে শিক্ষার্থীদের জন্য বিনোদেন ব্যবস্থা মানানসই ছিলো। কিন্তু বর্তমানে সকল শিল্পীদের পকেটে নিয়ে ঘুরি আমরা সবাই। তবুও এর উপরে আরও এক্সট্রা ভাবে স্কুল/কলেজ কতৃপক্ষ বিনোদনের ব্যবস্থা করে।

 

২৪ ঘন্টা বিনোদনেই ঢুবে থাকি তবে কেনো এই আয়োজন? আমরা যা পাইনা সেইটার ব্যবস্থা করা উচিত।পুরাতন ছাত্রদের অনেকেই দেশের ভালো ভালো জায়গায় চাকরি করে কেউ বিজনেস করে, কেউবা প্রাইভেট জব, কেউ সরকারি জব। এসব জায়গায় পৌঁছোতে তাদের পারি দিতে হয়েছে অনেক দীর্ঘ একটা পথ। এই পথ সম্পর্কে কে জানাবে? এই দায়িত্ব কার? শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নাকি সমাজ?

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ ইচ্ছাশক্তি
Theme Customized By Shakil IT Park