
অপেক্ষা—
একটা ছোট্ট শব্দ, তবুও এর ভেতর জমে থাকে হাজারো ভরসা, কিছু না-বলা কথা, আর একটুখানি দেখার প্রবল ইচ্ছে।
কখনো মনে হয় ঘড়ির কাটাগুলোও যেন বেশি শব্দ করে বাজছে, যেন আমায় বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছে—সময় কিন্তু থেমে নেই। আমি তাকিয়ে থাকি, নিশ্বাসটা ভারী হয়ে আসে, কখনো মুচকি হাসি, কখনো নিঃশব্দ দীর্ঘশ্বাস—এই বুঝি শেষ হলো সেই প্রতীক্ষার ক্ষণ।
গল্পটা তখনই ভরে যায় এক অদ্ভুত অপেক্ষার সুখে। আমার মনে হয়, পুরো সময় অপেক্ষা করার চেয়ে শেষ কয়েকটা মুহূর্তই সবচেয়ে রোমাঞ্চকর।
অপেক্ষা…
কখনো এটা একরকম মিরাক্কেল মনে হয়। ঘুরে ফিরে দেখি, আমি আবারও আগের জায়গায়—ঠিক একই শূন্যতায় দাঁড়িয়ে আছি। তারপর আকাশের দিকে তাকিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস, চোখে হালকা জল, আর ঠোঁটে মুচকি হাসি—এটাই যেন আমার চিরচেনা দৃশ্য।
তবুও, অপেক্ষা তখনই সবচেয়ে সুন্দর লাগে, যখন জানি—যাকে বা যেটাকে চাই, সে ঠিক আসছে, খুব কাছেই। তখন ক্লান্তি মুছে যায়, চিন্তা থেমে যায়, চোখে জমে একটুখানি শান্তি।
সত্যি বলতে, অপেক্ষা করাটা অনেক সময় কষ্টের হলেও… তার ভেতরেই লুকিয়ে থাকে সবচেয়ে মিষ্টি আনন্দটা।